Date Molasses/Khejur Gur (খেজুরের ঝোলা গূড়)

(0 reviews)

Inhouse product


Price
৳450.00 /kg
Quantity
Total Price
Share

Reviews & Ratings

0.00 out of 5.0
(0 reviews)
There have been no reviews for this product yet.
খেজুরের গুড় (Khejurer Gur) শীতকালে জনপ্রিয় একটি খাবার, যা খেজুরের রস থেকে তৈরি করা হয়। এটি দুটি রূপে পাওয়া যায় – পাটালি (কঠিন) এবং নলেন বা ঝোলা (তরল)। খেজুরের গুড় সাধারণত শীতকালে পাওয়া যায় এবং এটি বিভিন্ন পিঠা-পুলি ও পায়েস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

খেজুরের গুড় তৈরির প্রক্রিয়া:

খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করা হয়।
রসকে সিদ্ধ করে বাষ্পীভূত করা হয় এবং ঘন করা হয়।
এরপর এই ঘন রসকে ঠান্ডা করে গুড়ে পরিণত করা হয়।

খেজুরের গুড়ের উপকারিতা:

✔ গুড়ে পর্যাপ্ত আয়রন আছে। এটি রক্তস্বল্পতা রোধে সাহায্য করে।
উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে গুড় খেতে পারেন। নিয়মিত গুড় খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। শরীরের ভেতর থেকে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে গুড়। হজমপ্রক্রিয়া উন্নতি করতে গুড় সাহায্য করে। ওজন কমাতে সাহায্য করে: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুরের গুড় ওজন কমাতে সহায়ক হতে পার ঠান্ডা কাশি কমায়: শীতকালে ঠান্ডা লাগলে বা কাশি হলে খেজুরের গুড় খেলে আরাম পাওয়া যায়। লিভার পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। দেহের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। . গুড়ের আছে রক্ত ​​পরিশোধনক্ষমতা। রক্ত পরিষ্কার থাকলে কমে অনেক রোগের ঝুঁকি। অ্যান্টিটক্সিক বা শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করতে সাহায্য করে। . মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে গুড় উপকারী। এটি নিয়মিত সেবনে স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে। এর আছে অ্যান্টিকার্সিনোজেনিক বৈশিষ্ট্য, যা ক্যানসারবিরোধী উপাদান হিসেবে কাজ করে। গুড় খেলে চোখের দুর্বলতা দূর হয়। শুধু তা–ই নয়, গুড় দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে খুবই সহায়ক।

আমাদের গুড় কেন আলাদা?

জিরান রস থেকে প্রস্তুত: আমরা খেজুর গাছ থেকে একদম বিশুদ্ধ এবং প্রথম রস সংগ্রহ করি, যা স্বাদ এবং মানে অনন্য।
সর্বোচ্চ হাইজিন মেইন্টেইন: প্রতিটি ভাড় জীবাণুমুক্ত করার জন্য আগুনে পুড়িয়ে পরিষ্কার করা হয়, যাতে রস থাকে পুরোপুরি নিরাপদ।
কোনো চুন বা কেমিক্যাল নেই: গুড় তৈরিতে আমরা কোনো ধরনের চুন বা ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহার করি না, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি কমায়।
স্বাদে খাঁটি: আমাদের গুড়ের প্রাকৃতিক স্বাদ এবং ঘ্রাণ এটি অন্য সব পণ্য থেকে আলাদা করে।
খেজুরের গুড় সংরক্ষণ
• পাত্র : গুড় সংরক্ষণের জন্য সাধারণত মাটির পাত্র বা কাঁচের বোতল ব্যবহার করা হয়। মাটির পাত্রে গুড় বেশি দিন ভালো থাকে, কারণ এটি প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা থাকে।
• স্থান : গুড়কে শীতল ও শুকনো স্থানে সংরক্ষণ করতে হয়। আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখতে পারলে গুড় দীর্ঘদিন ভালো থাকে।
• তাপমাত্রা : গুড়কে বেশি দিন ভালো রাখতে চাইলে তা একটি শুষ্ক স্থানে রাখা উচিত। আর্দ্রতা গুড়ের গুণগত মান নষ্ট করতে পারে। এজন্য গুড় সংরক্ষণের আগে তা পুরোপুরি ঠান্ডা করে নেওয়া জরুরি।

Frequently Bought Products

All categories
Flash Sale
Todays Deal